মায়ের বিরল দুগ্ধভিজান P10

……….তো উনি আমাদের গোটা সভায় উপস্থিত ছিলেন, তোমাকে ভালো করে পর্যবেক্ষণ করছিলেন গোটা সময়টা ধরে। তো উনার কাছ থেকে জানতে পারলাম দুধপুকুর গ্রামের চারপাশে আদিবাসী মানুষজন থাকে আমাদের মতই, প্রতিবছরই এই মাসে একাদশীর দিন তাদের একটা সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়, চারিপাশে মেলা বসে, দূর দূরান্ত গ্রাম থেকে মানুষজন আসে, ব্যাপক নাকি ভিড় হয়।
        কাকিমার কথা শেষ করতে না দিয়ে ঠাকুমা বলে উঠলেন – হ্যাঁ ছোট বৌমা তুমি ঠিকই বলেছ, আমিও দুধপুকুর গ্রামের মেলার কথা বেশ কয়েকবার শুনেছি বটে, তবে সেটা ঠিক কোন সময় হতো সেটা ঠিক জানা ছিল না, আমার যাওয়ার খুব ইচ্ছা আছে।
       কাকিমা আবার বলা আরম্ভ করলেন – হ্যাঁ মা দুধপুকুর গ্রামে দুদিন ধরে খারুল এর মেলা চলে, প্রথম দিন ওদের কিছু রীতি রেওয়াজ অনুযায়ী কিছু অনুষ্ঠান হয় আর দ্বিতীয় দিন মেলার সাথে গ্রামের মানুষের বিনোদনের কিছু খেলা প্রতিযোগিতা, তো রক্তিমবাবুর আগে যিনি প্রধান ছিলেন, তিনি এই আদিবাসী মানুষদের অতটা সহ্য করতে পারতেন না, উনি ছিলেন আদিবাসী মানুষদের সংস্কৃতি অনুষ্ঠানের ঘোর বিপক্ষে, এমনকি উনার আদেশে এই আদিবাসী মানুষদের অনুষ্ঠান বেশ কিছু বছর বন্ধ ছিল, তা রক্তিমবাবু এ বছর পঞ্চায়েতের ভোটে ক্ষমতায় আসেন অনেক বছর ব্যর্থতার পর, আদিবাসী মানুষরা আগের বারের প্রধানের উপর বেশ চটে ছিল, তাই সবাই মিলে উনার বিপক্ষে রক্তিম বাবুকে ভোট দেন, আর আদিবাসী মানুষদের পূর্ণ সমর্থনে রক্তিম বাবু এ বছর ক্ষমতায় আসেন। তাই উনি এ বছর দুধপুকুর গ্রামে আবার সেই খারুল এর মেলা শুরু করতে চান গ্রামের আদিবাসী গোষ্ঠীকে খুশি করার জন্য,
তো সেই কারণে উনি আমাদের গ্রামে সকলকে আমন্ত্রিত জানান আর বিশেষ করে বৌদি তোমাকে, উনি বললেন তোমার নাকি একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে সেই অনুষ্ঠানে, সেই কারণে আমাদের পরিবারকে একদিন আগেই যেতে বলেছেন। উনি সমস্ত ব্যবস্থা করে রাখবেন আমাদের যাতে কোন অসুবিধা না হয়।
       ঠাকুমা তো লাফিয়ে উঠলেন, খুব খুশি বলতে শুরু করলেন – যাব বৈকি, আলবাত যাব, আমার বহুদিনের সাধ ছিল খারুলএর মেলায় একবার যাব, আর আর উনি যখন আমন্ত্রিত করেছেন আমাদের তখন তো নিশ্চয়ই যেতে হবে।
তো দেখতে দেখতে দিন চলে গেল দুদিন আগেই আমরা সকলে মিলে রওনা হলাম দুধপুকুর গ্রামের রক্তিমবাবুর বাড়ির উদ্দেশ্যে, বাড়িতে রইল শুধু বাবা আর মাতাল কাকা।
         গরুর গাড়িতে করে কিছুটা যাওয়ার পর একটা ছোট নদী পার হতে হলো, সামনে পড়লো একটা ভাঙ্গা বাসের একটা ব্রিজে, যেটাতে দেখলাম গরুর গাড়ি যাওয়ার অনুমতি নেই, খালি পায়েই এপাশ থেকে ওপাশ যেতে হবে উপর দিয়ে, কাজের গরুর গাড়ি আমাদের ওখানে ছেড়ে দিতে হলো,  বাকিটা রাস্তা পায়ে হেঁটে। 
       আমরা বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় রাস্তায় জলখাবারের জন্য কিছু খাবার একটা পুটুলিতে বেঁধে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলাম, তো গ্রামের রাস্তা তার ওপর মাথার উপর চড়া রোদ্দুর, ঠাকুমা স্থির করলেন কোনো জায়গায় ছায়ায় বসে আমরা জলখাবার খাব একটু বিশ্রাম নেব তারপরে বাকিটা রাস্তা হেঁটে এগাবো।
তা কিছুটা যাওয়ার পরে আমরা একটা বড় বটগাছ দেখতে পেলাম যেটার নিচের জায়গাটা বেশ ছায়ায় ছেয়ে আছে বেশ শীতল পরিবেশ, তো আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম এখানেই বসে খাওয়া-দাওয়া সারা যাক, কাকিমা গাছের নিচে একটা চাদর বিছিয়ে আমাদের বাসায় জায়গা তৈরি করে দিল, আমরা সকলে মিলে বসে পড়লাম আসন ঘিরে, ঠাকুমা পুটলী খুলে সেখান থেকে রুটি বার করে তারপর একটা টিফিন কৌটো খুলে আলু ভাজা ভাগ করে আমাদের সকলকে খেতে দিল, এতটা রাস্তা আসার পর সকলেরই বেশ খিদে পেয়েছিল, কাজেই রুটি আলু ভাজা শেষ করতে বেশি সময় লাগলো না, ঠাকুরদা জল খেতে যাবে এমন সময় বোতলের দিকে নজর পড়তেই দেখল বোতল ফাঁকা।
ঠাকুরদা সে কি বোতলে জল নেই জল শেষ হয়ে গেছে।
       কাকীমা – তা হবে না বাবা, এই ভন্যি দুপুরবেলা মাথার উপর চড়া রৌদ্র, সকলেই তো জল পিপাসা পাচ্ছে, এত কটা মানুষ প্রত্যেকে এক ঘোট, এক ঘোট দিতে দিতেই জল শেষ হয়ে যাবে এটা তো স্বাভাবিকই।
       ঠাকুমা রুটি চিবুতে চিবুতে বলল – আরে তোমরা চিন্তা করছ কেন? জল শেষ হয়েছে তো কি হয়েছে? আমাদের সঙ্গে একটা জার্সি গাভী তো আছেই, যার তেষ্টা পাচ্ছে সে বড় বৌমার বোঁটায় মুখ দিয়ে চুষে নাও।
ঠাকুরদা বলল – ঠিক বলেছ তো তুমি, আমার তো মাথাতে আসেনি ব্যাপারটা, আমরা তো সঙ্গে একটা দুধের কুয়ো নিয়ে ঘুরছি।
এই বলে ঠাকুরদা হামাগুড়ি দিয়েই মায়ের পাশে এগিয়ে বলল – কই গো বৌমা, রুটি খাওয়ার পরে গলাটা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে, ব্লাউজ টা একটু খোলো দেখি গলাটা একটু ভিজাতে হবে।
মা এটো হাতেই কাঁধে সেফটিপিন দিয়ে আটকানো শাড়ির আঁচল টা নামিয়ে দিল তারপর ওগুলো পটপট করে খুলে স্তনদুটো বের করল, ঠাকুরদা মায়ের কোলে মাথা রেখে দুই হাত দিয়ে একটা স্তন চেপে ধরে ওটার বোঁটাটা মুখে পড়ে সজরে চুষতে লাগলো।
ঠাকুমা এরপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল কিরে রাহুল তুই আবার কি ভাবছিস মেয়ে জলদি কর বাবা গ্রামে পৌঁছাতে হবে তো সন্ধ্যা নামার আগে তাড়াতাড়ি তোর মায়ের দুধটা খেয়ে নে।
ঠাকুমার কথা মত বাধ্য ছেলের মত আমিও ঠাকুরদার পাশে গিয়ে অন্য স্তনটার বোঁটায় মুখ লাগিয়ে চুষতে শুরু করলাম, মুখ ভরে গেল মায়ের গরম মিষ্টি দুধে, এরপর পালা করে ঠাকুমা আর কাকিমা তাদের পেট ভরালো আমার মায়ের স্তন্যপান করে।
তোর সকলের খাওয়ার শেষে, পিপাসাও মিটে গেল মায়ের স্তন্যদুগ্ধ পান করে।
বাকি রইলো শুধু মা, বাকি সকলকে স্তন্যদান করলেও মা নিজে কি পান করবে? কাজেই মায়ের চেষ্টা মিটলো না, এদিকেও সেরকম গরম পড়েছে, মা ভাবল কি আর করা যাবে নিজের বুকটাই একটু হাত দিয়ে উঁচু করে মাথাটা নামিয়ে নিজের বোঁটাটা একটু চুষে নিই গলাটা তো ভিজবে, তার মা এমন করতে যাবে এমন সময় ঠাকুরমা ধমক দিয়ে বলল – “ছি ছি বৌমা তুমি করছো কি? নিজের বুকের দুধ কেও খায় নাকি? তোমার তেস্টা পেয়েছে আমি বুঝতে পারছি, দাড়াও সেই ব্যবস্থা করছি”, এই বলে ঠাকুমার সামনে একটা নোংরা পুকুর থেকে কিছুটা জল বোতলে ভরে নিয়ে এসে মাকে দিলো। এই কুকুরের কাদামাখা, দুর্গন্ধযুক্ত জল মা একবার মুখে দিল কিন্তু বমি উঠে গেল।
       ঠাকুমা নামক দিয়ে বলল – বৌমা দেখো তোমাকে এই জালই খেতে হবে, এখন কোন উপায় নেই, মাথার উপর প্রকর রৌদ্র, ভীষন গরম খেয়ে নাও নাহলে শরীর খারাপ করবে।
       কোন উপায় নাই দেখে মা নাক বন্ধ করে ঢক ঢক করে জলটাকে খেয়ে বোতলটা ফাঁকা করে দিল।
        তো আমরা সবাই উঠবো উঠবো করছি, মাও ব্লাউজের হুক লাগাতে যাবে এমন সময় ঠাকুরদা বলে উঠল – “দাঁড়াও বৌমা, এখনো তো অনেকটা পথ বাকি, এই ফাঁকা বোতলটাতে তোমার বুকের দুধ ভরে নিচ্ছি রাস্তায় চেষ্টা পেলে খাওয়া যাবে”।
         ঠাকুরদা এবার মার কাছে গিয়ে একটা স্তনের বোঁটা বোতলের মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে আমাকে বোতলটা দুহাতে শক্ত করে ধরতে বলল, আমি বোতলটা শক্ত করে দুই হাত দিয়ে চেপে ধরলাম স্থির ভাবে যাতে বোঁটাটা বোতলের মুখ থেকে বেরিয়ে না যায়, এরপর ঠাকুরদা একটা ফোলা স্তনের উপর দুই হাত দিয়ে দুই সাইডের দিকে ধরে জোরে জোরে চিপতে লাগলো, বোঁটা দিয়ে পিচকারির মতো দুধ বোতলের গা বেয়ে বেয়ে গড়িয়ে নিচে পড়তে লাগলো, কিছুক্ষণের মধ্যেই একটা দু লিটারের বোতল মায়ের সাদা বুকের দুধে সম্পূর্ণ ভর্তি হয়ে গেল, তারপর বোতলের মুখটা ভালো করে প্যাঁচ দিয়ে ঠাকুরদা ব্যাগের মধ্যে ভোরে নিল, এরপর মা ব্লাউজের হুক গুলো লাগিয়ে শাড়ি কাপড় ঠিক করে উঠে দাঁড়ালো, আমরা সবাই  তৈরি হয়ে সামনে এগোতে শুরু করলাম।
        ঘন্টাখানেক পর আমরা শেষ পর্যন্ত পৌছালাম আমাদের গন্তব্য দুধপুকুর গ্রামে, বাঁশঝাড় আর তালগাছের সারি দিয়ে চারিদিক ঘেরা দুধপুকুর গ্রাম, আশেপাশে দেখতে পেলাম আদিবাসীদের ঘরবাড়ি তাদের নিজেদের শৈলীতে তৈরি বাড়িঘর গুলো একান্তই একক, গ্রামে ঢুকতেই দেখতে পেলাম বাঁশের কারুকার্য করে চারিপাশ সব সাজানো গোছানোর কাজ হচ্ছে, খুব সম্ভবত আসন্ন উৎসবের প্রস্তুতির জন্য, তারপর কিছুটা পরে দেখতে পেলাম একটা বিশাল বড় পাথরের মূর্তি, মূর্তিটার এক হাতে একটা কাস্তে আর অন্য হাতে একটা কাঠের ঢাল, এই মূর্তিটাকে ঘিরেই চারিপাশে ছোটখাটো দোকান পত্র বসেছে মেলার স্টলের মত, চারিদিকে সব সুন্দর করে সাজানো, তারপর আর কিছুটা যাওয়ার পর কিছুটা ভেতরে দেখতে পেলাম একটা বড় বাড়ি, বুঝতে অসুবিধা হলো না এটাই গ্রামের প্রধানের বাড়ি।
        দূর থেকে আমাদের দেখতে পেয়েই রক্তিমবাবু দৌড়ে এসে আমাদের অব্যর্থনা জানিয়ে – আসুন আসুন কি সৌভাগ্য আমার, আপনারা আমাদের গ্রামের মাটিতে পা দিয়েছেন, বীনা ম্যাডাম আপনি এসেছেন দেখে আমরা খুব খুশি, আসুন ভেতরে আসুন।
          আমরা সকলে রক্তিমবাবুর বাড়িতে ঢুকলাম ভেতরে বিশাল বড় জায়গা, আমাদের থাকার জন্য আলাদা একটা ঘরের ব্যবস্থা করে দিলেন তিনি।
           কিছুক্ষণ পরেই বাড়ির একটা চাকর আমাদের জন্য চা জল খাবার নিয়ে হাজির, ততক্ষনে সন্ধ্যে নেমে এসেছে, আমাদের চা জল খাবার খাওয়া শেষ হয়েছে এমন সময় রক্তিমবাবু ঘরে প্রবেশ করলেন।
         আমাদের পাশে এসে একটা চেয়ার নিয়ে তারপর বললেন – আপনাদের এখানে আসতে কোন অসুবিধা হয়নি তো? তো আসার সময় নিশ্চয়ই নজরে পড়েছে গ্রাম প্রস্তুতি নিচ্ছে জোর কদমে, আসলে আমাদের গ্রামের আদিবাসীদের এই সময়টা খুব পবিত্র, গ্রামে আসার সময় যে পাথরের বড় মূর্তিটা দেখলেন ওটা হল আদিবাসী সম্প্রদায়ের একজন বিখ্যাত যোদ্ধা মুরমু সর্দারের, একসময় তিনি আদিবাসী মানুষদের দলবল নিয়ে একটা ভয়ানক যোদ্ধা বাহিনী তৈরি করেছিলেন এবং আশেপাশে চারিদিকের এলাকা জুড়ে তাদের রাজত্ব স্থাপন করেছিলেন, এমনকি ব্রিটিশ রাজের আমলে ব্রিটিশ সেনাদেরও পরাস্তও করে বেশ কয়েকবার, সেই কারণে ব্রিটিশরা আমাদের এই গ্রামে পা রাখতে ভয় পেতো, তো এই গ্রামের আদিবাসী মানুষের মধ্যে এই মুরমু সরদার শুধুমাত্র একজন যোদ্ধায় নয়, তাদের কাছে ভগবান তুল্য মূর্তি, বহু প্রাচীনকাল থেকেই তাকে ঘিরে প্রতিবছর এই সময় একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ওদের মধ্যে, এই অনুষ্ঠানের কিছু ক্রিয়া-কলাপ বর্তমান সভ্য সমাজের চোখে অবৈধ এবং দৃষ্টিকটু, আমার আগে গ্রামের যে প্রধান ছিলেন তিনিও এই অনুষ্ঠানের ঘোর বিপক্ষে ছিলেন, সেই কারণে আদিবাসী মানুষদের মধ্যে ওনার ওপর একটা ক্ষোভ জন্মেছিল। 
            মা এবার বলে উঠলো – কি রকম অনুষ্ঠান রক্তিম বাবু?
           রক্তিমবাবু কিছুক্ষণ চুপ থেকে গ্লাসে এক ঘোট জল খেয়ে আবার বলা আরম্ভ করলেন – না আসলে ব্যাপার হল, প্রাচীনকালে এই অনুষ্ঠানের শুরুর দিন একটা শিশুর বলি দেয়া হতো, 
           মা একটু আটকে উঠে – বাবা রে!! কি পাষাণ হৃদয় নিজেদের বাচ্চাদেরই বলি দিত।
          রক্তিমবাবু – না না!!! আসলে আদিবাসীরা যে সমস্ত গ্রামাঞ্চল আর এলাকা দখল করত, সেই এলাকার শিশুদেরই ধরে এনে বলি দিত।
          ঠাকুমা এবার বলা আরম্ভ করলো – দেখুন রক্তিম বাবু, সে আমাদের যুগেও ডাকাতরা শুনেছি বাচ্চা শিশুদের বলি দিত মা কালীর সামনে, এই প্রথা তো বহু যুগ আগে থেকেই চলে আসছে।
         রক্তিমবাবু – হ্যাঁ সে তো ঠিক আছে, তবে বর্তমান দিনে ওরা শিশু বলি দেয় না, তার বদলে একজোড়া পাঠা বলি দেয়, আসলে সমস্যা সেটাও না, এছাড়াও অনেক বিধি নিয়ম আছে, যেমন এই সময় গ্রামের পুরুষ মহিলাদের মনে যদি অন্য কোন পুরুষ বা মহিলার প্রতি মোহগ্রস্ত হয়, নির্দ্বিধায় সেই সময় তারা পরস্পরের সাথে মিলিত হতে পারে, এমনকি তারা যদি বিবাহিত অব্দি হয় তা সত্ত্বেও।
            রক্তিমবাবুর এ কথাতেও মা বিপত্তি জানিয়ে বলল – এতেও তো কোনো ক্ষতি দেখছি না, একজন পুরুষের অন্য কোন নারী বা অন্য কোন নারীর একটা পুরুষ মানুষের প্রতি ভালোবাসা জন্মাতেই পারে, আর ভালোবাসা তো স্থান-কাল-পাত্র দেখে হয় না, হয়ে যায়।
             রক্তিমবাবু একটু চুপ থেকে বললেন –  আপনি ঠিকই বলেছেন বীনা বৌদি, তবে আরো কিছু কিছু ব্যাপার আছে যেটা দৃষ্টিকটু, এই সময় গ্রামের পুরুষ স্ত্রী সকলে কোন বস্ত্র পরিধান করে না, সম্পূর্ণ নগ্নরূপে অনুষ্ঠান টা সম্পন্ন হয় আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে, এছাড়া অনেক কিছু ব্যাপার আছে যেগুলো আপনি নিজে চোখে দেখবেন সময় এলে।
             মা বলল সে তো বুঝলাম তো এই অনুষ্ঠানে আমাদের কি কোন ভূমিকা আছে? শুনছিলাম কি একটা জরুরী দরকার আমাদের?
           রক্তিমবাবু এবার একটু ইতস্তত হয়ে বললেন – না মানে একটা ভূমিকা তো আছেই, খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা, তবে সেটা শুধু আপনাকেই পালন করতে হবে বীনা বৌদি, দয়া করে না করবেন না, অনেক আশা করে আমি আদিবাসীদের রাজি করিয়েছি।
প্রথমত আদিবাসীরা তাদের অভ্যন্তরীণ অনুষ্ঠানে বাইরের গোষ্ঠীর কাউকে যোগদানের অনুমতি দেয় না আমি অনেক কষ্টে তাদের রাজি করিয়েছি আপনার ব্যাপারে।
           মা একটু আটকে উঠে আমার ব্যাপারে রাজি করিয়েছেন? মানে!!! কি….. কি….. ব্যাপারে ঠিক?
            রক্তিমবাবু এবার একটু হেসে বললেন – আপনি চিন্তিত হবেন না বৌদি, আপনাকে তাহলে গোটা ব্যাপারটা বলছি, আসলে এই খারুল এর মেলার প্রধান বিষয়বস্তু হলো মুরমু সর্দারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা, এই মুরমু সর্দার খুব যৌনবিলাসী মানুষ ছিলেন, তার অনেক স্ত্রী ছিলেন সেই সঙ্গে ছিলেন অগুন্তিক সন্তান, গ্রামের আদিবাসী মানুষেদের মুখে চর্চিত আছে যে মুরমু সর্দারের নাকি মহিলাদের বুকের দুধের উপর আলাদা একটা আসক্তি ছিল, সেই কারণে তার সম্মানে প্রতিবছর গ্রামের একজন দুগ্ধবতী মহিলাকে উনার মূর্তির সাথে ঘটা করে পুজো দেয়া হয়, তারপর সেই মহিলাকে এই দুদিন রানীর সম্মানে সম্মানিত করা হয়ে থাকে, এছাড়াও এই কয়েকটা দিন চলতে থাকে নানান ধরনের রীতি রেওয়াজ, বিশ্ব মাতৃ স্তন্যপান সপ্তাহে আমি আপনাদের গ্রামে গিয়েছিলাম তাতে আমার মনে হয়েছিল আপনাকে যদি এ বছর মেলার বিশেষ অনুষ্ঠানে নিয়ে আসতে পারি, তাহলে আদিবাসী মানুষদের মধ্যে আপনার সাথে সাথে আমারও একটা বিশেষ সম্মান বেড়ে যাবে, কারণ বীনা বৌদি আপনার মত একজন দুগ্ধবতী মহিলাই এই সন্মানের যোগ্য উত্তরাধিকার, প্রথমে আদিবাসীদের মধ্যে আপনার কথাটা উল্লেখ করি ওরা খুব রেগে যায়, কারণ আগেই বলেছি ওরা বহির্ভূতদের তাদের অনুষ্ঠানে অংশীদার করতে চাই না, কিন্তু আমি গোষ্ঠীর কিছু বয়স্ক মানুষকে অনেক অনুরোধ করে ওদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছি, একটা সুযোগ দেয়া হোক আপনাকে, কারণ অনেক বছর পর এই অনুষ্ঠান পুনরায় আয়োজিত হতে চলেছে, আর আমি চাই এ বছর যেন সকলে মনে রাখে, তাই বীনা বৌদি আমার মান-সম্মানের দায়িত্ব আপনার হাতে।
            মা আমতা আমতা করে বলে উঠলো – কিন্তু আমাকে ঠিক করতে হবে কি? সেটা তো বুঝলাম না!।
             সে আপনি কালকে নিজে গেলেই বুঝতে পারবেন, তা আপনারা এবার একটু বিশ্রাম করুন অনেকটা পথ হেঁটে এসেছেন, কিছুক্ষণ পর আমার চাকর এসে আপনাদের রাতের খাবার দিয়ে যাবে, আপনারা খেয়ে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ুন কাল সকাল থেকে অনুষ্ঠান শুরু।
           কিছুক্ষণ পর বাড়ি চাকর আমাদের রাতের খাবার রুটির তরকারি পায়েস দিয়ে গেল, যদিও সে পায়েসের সে আমাদের বাড়ির পায়েসের স্বাদের সঙ্গে কোন তুলনায় হয় না।
           রাতের বেলা ঠাকুমা আর কাকিমা একটা চৌকিতে ঘুমালো, মা ছোটভাই আর আমি অন্য একটা চৌকিতে, কারণ ছোটভাই ঘুমের আগে এখনো মায়ের বুকের দুধ খায়, তাই তাকে সঙ্গে নিয়ে ঘুমাতেই হবে, আর আমিও পাশে শুয়ে পড়লাম।
           ঠাকুরদা যদিও পাকামো করে নিজেই বললো – তোমরা তাহলে চৌকি দুটোতে সও আমি মাঝখানে মাদুর বিছিয়ে শুয়ে পড়ছি।
            মা সাইডে কাত হয়ে ব্লাউজের একটা দিক উদুম করে ছোট ভাইয়ের মুখটা নিজের একটা স্তনের উপর ঠেসে ধরেছ চোক বন্ধ করে দিল, সারাদিনের জার্নিতে এমনিতেই খুব ক্লান্ত ছিলাম বিছানায় সোয়া মাত্র চোখ লেগে গেল, কিছুক্ষণ পরই মায়ের গোঙানি তে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল, চোখ খুলে তাকিয়ে দেখি দাদুর মাকে টেনে নিচে নামিয়ে উদোম করে শুইয়ে একটা স্তন মুখে পুরে চুষতে চুষতে রাম ঠাপানি দিচ্ছে আর মা সেই তালে তালে গুঙ্গাচ্ছে। এ রোজকারের কীর্তি জেনে বেশি কিছু মাথা না ঘামিয়ে আমি ঘুমিয়ে পড়লাম।
        পরদিন খুব সকালবেলা আমাদের ডাক পরল, তাড়াহুড়ো করে ওঠে চোখ মুখ ধুয়ে আমরা বসে আছি, এমন সময় বাড়ির কাজের লোক চা নিয়ে এসে হাজির, আমাদের সামনে রেখে বলল – তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নিন কত্তাবাবু আপনাদের নিয়ে বেড়াবে।
           আমরা তাড়াহুড়ো করে সকালের চা টিফিন খেয়ে জামা কাপড় পরে রেডি হয়ে গেলাম, কাকিমা একটা জরির কাজের শাড়ি পরল, আর মা ও একটা ভালো ধরনের তাঁতের শাড়ি পড়ে রেডি হয়ে গেল। আমরা সকলে অপেক্ষা করছি রক্তিম বাবুর জন্য।
        কিছুক্ষণ পরেই রক্তিমবাবু এলেন ওনার একটা পুরনো এম্বাসেডর নিয়ে, এই অজ পাড়াগায়ে চার চাকা দেখে বেশ একটু স্তম্ভিতই হলাম।
উনি আমাদের সামনে এসে বললেন – তা আপনারা তো একদম তৈরি দেখছি, যাক খুব ভালো চলুন এবার সকাল সকাল বেরিয়ে যাওয়া যাক।
           মা একটু নিচু গলায় বললেন – এই একটু তৈরি হতে সময় লেগে গেল, এই আর কি না হলে একটু আগে বেরিয়ে পড়তাম, 
          রক্তিম বাবু না না সে ঠিক আছে, কিন্তু বীনাবৌদি আপনি অত ভালো শাড়ি কাপড় পরে সেজেছেন কেন? আপনাকে ওখানে তো আদিবাসীদের সাজেই সাজতে হবে।
         রক্তিমবাবুর এই কথায় মা একটু ভয়ই পেল, তা যাই হোক আমরা সকলে অ্যাম্বাসেটরে চেপে বসলাম, রক্তিম বাবু ড্রাইভার এসে গাড়ি স্টার্ট দিল আমরা সকলে অনুষ্ঠানের জায়গায় এগোতে লাগলাম।
          অত সকাল বেলায় আমরা দেখলাম প্রচুর লোকের ভীড়, মানুষজনে রমরম করছে গোটা এলাকা, শুধু সে গ্রামের মানুষজনে এত ভিড় হওয়ার কথা নয় কাজেই বোঝা গেল চারপাশে গ্রামের মানুষজনের সমাবেশে এত ভিড়।
          তো গাড়ি থেকে আমরা সকলে নামলাম, রক্তিমবাবু গাড়ি থেকে নেমে হাটা দিল, আমরা সকলে ওনার পদক্ষেপ অনুসরণ করলাম, এরপর আমরা বাঁশের তৈরি বিশাল বড় একটা গেটের মধ্যে দিয়ে একটা ফাঁকা জায়গায় প্রবেশ করলাম, এক সাইডে ফিরে তাকাতেই দেখি মুরমু সর্দারের ওই বড় মূর্তিটার সামনে আমরা।
         রক্তিমবাবু একটু সামনে এগিয়ে একটা বড় ঘরের মধ্যে প্রবেশ করল, আমরা বাইরে দাঁড়িয়ে আছি কিছুক্ষণ পরে রক্তিমবাবুর সঙ্গে একজন বয়স্ক ব্যক্তি বেরিয়ে এলো সেই ঘর থেকে, লোকটা পুরোপুরি নগ্ন লোকটার গোটা মুখে আর গলায় সাদা রঙের কালি দিয়ে আঁকা সব চক্রবকরা দাগ।
        রক্তিমবাবু আমদের সামনে এসে বললেন – আপনাদের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিই, ইনি হলেন গোষ্ঠী প্রধান কানহু সরং, আর ইনারা হচ্ছে গোপালনগর গ্রামের বাসিন্দা, এই অনুষ্ঠানে যোগদান দেবে বলে এসেছেন।
           মা এক দৃষ্টিতে কানহু সরং এর এক হাত ঝুলে থাকা লম্বা কালো বাড়াটার দিকে তাকিয়ে ছিল, কাকিমার কনুই এর খোঁচা খেয়ে মা সম্বিত ফিরে পেল, তারপর হাতজোড় করে প্রণাম জানালো।
           রক্তিমবাবু এবার বলার আরম্ভ করলেন – কানহুবাবু আমি ইনার কথাই বলেছিলাম আপনাকে, ইনার নাম বীণা দাস আমি এই ভদ্রমহিলাকে ভালোভাবেই চিনি, উনিও খুব উৎসাহিত আপনাদের এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পেরে।
          কানহু সরং বাজখায় গলায় বলা আরম্ভ করলেন – তা এই মেয়েই হবে আমাদের অনুষ্ঠানের রাণীমাতা? ঠিক আছে প্রধানবাবু আপনি যখন এত অনুরোধ করেছেন আপনার কথা তো আমরা ফেলতে পারবো না, তবে লক্ষ্য রেখেন সব কিছু যেন বিধি নিয়ম মেনে হয়, আমরা আমাদের সংস্কৃতির কোন অপমান হতে দেব না।
             রক্তিমবাবু – না না একদমই না, সেই সব দিকে আমি খেয়াল রাখবো, আপনি তাহলে অনুষ্ঠানে কর্মসূচি শুরু করুন।
            কানহু সরং এবার চেচিয়ে ওদের আঞ্চলিক ভাষায় কিছু বলে উঠলেন, সঙ্গে সঙ্গে সেই ঘর থেকে বিনা বস্ত্র পরিহিত কিছু আদিবাসী রমণী এসে আমাদের সামনে এসে দাঁড়ানো, তাদের গায়ে একটা সুতো অব্দি নেই সকলেই সম্পূর্ণ নগ্ন, তারা মাকে চিহ্নিত করে হাত ধরে ঘরের মধ্যে ভেতরে নিয়ে গেল।
         রক্তিমবাবু আমাদের সকলকে একটা জায়গায় বসার অনুরোধ করলেন, তো আমরা বসে পড়লাম, এরপর নিজেও একটা জায়গা করে আসন ফিরে মাটিতেই বসে পড়লেন।
           কিছুক্ষণ সময় কেটে গেল আমরা সবাই অপেক্ষা করছি ভেতরে কি হচ্ছে কে জানে।
          তো অনেকটা সময় পর জনা 15 আদিবাসী মেয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এলো, প্রত্যেকটা মেয়েরই শারীরিক গঠন খুবই আকর্ষণীয় কোমরে চর্বির লেশ মাত্র নেই, প্রত্যেকের স্তনগুলোর আকার বেশ বৃহদাকার, স্তনবৃন্ত গুলি খাড়া মোটা লম্বা আর তার চারপাশে ঘেরা বৃন্তবলয় গুলো দেখে মনে হচ্ছিল এরা সকলেই দুগ্ধবতী, তাদের পিছু পিছু মাও এলো, কিন্তু একি !!!! লক্ষ্য করলাম মা ও সম্পূর্ণ নগ্ন গায়ে একটা সুতো অব্দি নেই, মায়ের কাঁধে হাতে সাদা খড়িমাটির প্রলেপ দিয়ে কিছু নকশা একে দিয়েছে, আর মায়ের স্তনদুটোর ওপর মেহেন্দির মতো খয়রি রংয়ের কিছু একটা দিয়ে সুন্দর করে নকশা করা, শুধু বোঁটা আর তার চারিপাশের বৃন্তবলয় দুটো ফাঁকা রেখে দিয়েছে, বোঁটাগুলো দিয়ে ঝরে পড়ছে মায়ের স্তন্যদুগ্ধ, মায়ের কানে হাড় দিয়ে তৈরি একটা দুল পড়ানো।

       এরপর আদিবাসী মেয়েগুলো মুরমু সর্দারের সেই পাথরের মূর্তির সামনে হাত জোড় করে গোল হয়ে বসে পড়ল, তাদের দেখাদেখি মা ও বসে পড়ল হাতজোড় করে মূর্তির সামনে, দুধের ভরে ভারী হয়ে থাকায় বসে থাকার ফলে মায়ের স্তনদুটো সামান্য নিচের দিকে ঝুলে পড়ছিল।
     গ্রামের একজন পুরোহিত হাতে একটা ঝাড়ু আর ধুঁনচি নিয়ে সেই মূর্তির সামনে এলো, এরপর ঝাড়ুটা নিয়ে বসে থাকা আদিবাসী মেয়েগুলোর প্রত্যেকের মাথায় ঠকালো, শেষে মায়ের মাথাতেও ঠেকিয়ে দিলো, এরপর হঠাৎ লক্ষ্য করলাম সেই পুরোহিত একটা কাপড়ের ছোট পুটুলি থেকে সাদা ধুলোর মত কিছু হাতে মুঠোয় বের করে মায়ের কপালে আড়াআড়ি ভাবে তিন আঙ্গুল দিয়ে তিলক কেটে দিল, আর আদিবাসীদের আঞ্চলিক ভাষায় কি সব বিড়বিড় করে বলতে লাগলো।
        বেশ কিছুক্ষণ ধরে পুরোহিত মশাইয়ের মন্ত্র পড়া চলল, এরপর তিনি বসে থাকা আদিবাসী মেয়েগুলোকে ইশারায় কি যেন একটা বললেন, এরপর ঠাকুরমশাই একটা ঘটির মত তবে আকারে সামান্য বড় একটা পিতলের পাত্র বসে থাকা ওই মেয়েগুলোর মধ্যে একজনের হাতে দিয়ে দিল।
            পরক্ষণেই দেখতে পেলাম মেয়েটি কলসিটা সামান্য উপরে তুলে আলগুছে ঘটি থেকে একটা পানীয় মুখে ঢাললো এবং গিলে ফেলল, পানিওটির গন্ধ আমাদের নাকে ভেসে আসতে লাগলো, কিছুটা দেশি মদের মতো তবে গন্ধটা অত্যাধিক তীব্র।      
          এরপর সেই মেয়েটা তামার পাত্রটা চালান দিল পাশে বসে থাকা অন্য একটা মেয়ের হাতে, সেও একই কাজ করলো কিছুটা পানীয় মুখে ঢেলে তার পাশের জনার হাতে দিয়ে দিল, এইভাবে সবকটা আদিবাসী মেয়েদের মধ্যে তামার পাত্রটা একবার ঘুরল এবং সকলের শেষে সেটা পুরোহিত মশায়ের হাতে দিয়ে দিল। 
        আমরা দেখে একটু আশ্চর্যই হলাম যে মা মধ্যমণি হয়ে বসে আছে অথচ মাকে সেটা পান করার সুযোগ দিল না, ব্যাপারটা কি।
         পুরোহিত মশাই এরপর মাটির মতো খয়রি কিছু একটা হাতে করে নিয়ে প্রত্যেকটা মেয়ের হাতে একটু একটু করে দিয়ে দিল।
         সঙ্গে সঙ্গে মেয়েগুলো সেই খয়েরি জিনিসটা তাদের দুই নগ্ন স্তনে ভালো করে ডলে ডলে মালিশ আরম্ভ করতে লাগলো। 
         কিছুক্ষন পর পাশ থেকে আরো কিছু মহিলা তবে ইনারা বয়সের সামান্য বৃদ্ধ, খুব সম্ভবত তাদের বাড়ির লোকই হবে, বালতিতে করে জল এনে তাদের মাথায় ঢেলে দিল, জল সমেত সেই খয়রি জিনিসটা তাদের গা বেয়ে নিচে ধুয়ে ধুয়ে পড়তে লাগল।
             এরপর পুরোহিত মশাই তাদের সামনে এসে প্রত্যেকের গলায় একটা ফুলের মালা পরিয়ে তাদের হাতে একটা করে পাথরের বাটি দিয়ে দিল।
এরপর প্রত্যেকটা মেয়ে বাটিটা তাদের স্তনের নিচে ধরে তাদের স্তন্যদুগ্ধ দোহণ করতে লাগলো, চোখের সামনে 15 জন মেয়ে তাদের স্তন্যদুগ্ধ দোহন করছে এ এক অতুলনীয় দৃশ্য।
       পাথরের বাটিগুলো দুধে ভরে গেলে মেয়েগুলো হাঁটুর ভরে মূর্তির সামনে এগোতে লাগলো, এরপর মূর্তির সামনে রাখা অন্য একটা বড় কালো পাথরের পাত্রের মধ্যে তাদের স্তন্যদুগ্ধ ঢালতে লাগলো, সকলের স্তন্যদুগ্ধে পাথরের কালো পাত্রটা নিমেষেই ভরে গেল কানায় কানায়।
        রক্তিম বাবু আমাদের দিকে তাকিয়ে বলল – মুরমু সর্দারের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে গ্রামের মহিলাদের স্তন্যদুগ্ধ উৎসর্গ করে অনুষ্ঠানের কর্মসূচি শুরু হয়।
       মা এতক্ষন বসে বসে এদের সমস্ত কান্ড কারখানা দেখছিল, মেয়েগুলোর মধ্যে এবার ভেজা গায়েই একজন উঠে দাঁড়িয়ে মায়ের সামনে এসে মায়ের মাথায় হাত রেখে দাঁড়ালো, তাকে অনুসরণ করে বাকি 14 টা মেয়েও মায়ের কাছে একে একে এসে তাদের হাত প্রসারিত করে মায়ের মাথায় ঠেকিয়ে দাঁড়ালো।
          আমি একটু জিজ্ঞাসু হয়ে রক্তিম বাবুকে জিজ্ঞেস করলাম – রক্তিমজেঠু এটা কি হচ্ছে? সবাই মাকে ঐরকম ভাবে ছুঁয়ে আছে কেন? মার মধ্যে কি কোন ঐশ্বরিক শক্তি চলে এসেছে যে ওরা মাকে ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিচ্ছে।
      আমার প্রশ্নের রক্তিমবাবু বোধয় একটু লজ্জিত হলেন, একটু আমতা আমতা করে বললেন – তা তোমরা এ যুগে পড়াশোনা শেখা ছেলেপুলে ব্যাপারটা একটু আজগুবি লাগতে পারে তোমার কাছে, তবে আদিবাসীদের মতে এটা হচ্ছে একটা বহু প্রাচীন প্রথা, এটা একটা শক্তির প্রবাহ, ওই সমস্ত মেয়েগুলো তোমার মায়ের মাথায় হাত রেখে তাদের বক্ষদুগ্ধ সঞ্চালন করছে তোমার মায়ের মধ্যে।
         আমি একটু অবাক হয়েই চুপ করে থেকে গেলাম মনে মনে ভাবলাম কি সব আজগুবি কাণ্ড কারখানা।
          কিছুক্ষণ পর মেয়েগুলো তাদের হাত সরিয়ে নিল মায়ের মাথা থেকে তারপর সকলে হাতজোড় করে সামনে ঝুঁকে মাকে প্রণাম করলো, পুরোহিত মহাশয় এরই মধ্যে রুপোর তৈরি একটা মুকুটের বের এনে মায়ের মাথায় পরিয়ে দিল। 
         খেয়াল করলাম একটা কালো বলিষ্ঠ মধ্যবয়স্ক যুবক মায়ের কাছে এসে দাঁড়ালো, যুবকটার বেশ শক্ত সামর্থ্য বেশি বহুল চেহারা, লোমহীন দেহ তেল চকচকে চেহারা, মোটা একটা কালো গোঁফ আর কোঁকড়ানো চুল, পেটে চর্বির লেস মাত্র নেই পেটের প্রত্যেকটা পেশির খাঁজ ফুটে উঠেছে, কোমরের নিচে পাতার তৈরি একটা গোলাগার বেষ্টনী ঘেরা তার নিচে তার দৈত্যাকার লিঙ্গটা ঝুলছে হাঁটু অব্দি, আর লিঙ্গটার মাথায় মুন্ডুটা ফুটে রয়েছে একেবারে খোয়রী ডিম্বাকৃতি, সেটার পিছনে উঁকি মারছে তার অন্ডকোষটা যেটার আকার মোটামুটি ছোটখাটো একটা পাকা তালের মতো, মানে মোটামুটি একটা মেয়েকে যৌন সুড়সুড়ি লাগিয়ে কোন মহিলাকে মোহিত করার দিক থেকে যুবকটা যথেষ্ট।
        তো এবার লক্ষ্য করলাম পুরোহিত আর ওই যুবকটা পরস্পরের সঙ্গেই আদিবাসী ভাষায় অনেকক্ষণ ধরে কিছু একটা কথোপকথন চালালো।
এরপর যুবকটা নির্দ্বিধায় বসে থাকা মায়ের সামনে এসে মাকে দুই হাতের ভরে কোলে তুলে নিয়ে মূর্তির সামনে বিছানো একটা বাঁশের খলফার উপর নিয়ে গেল, এরপর মাটিতে বিছানো বাঁশের খলফার উপর মাকে শুইয়ে দিয়ে মায়ের গুদের উপর হাত বুলাতে লাগলো।
        ঠাকুমা তো চমকে উঠলো, সামান্য জোরে বলতে লাগলো – রক্তিম বাবু এটা কি হচ্ছে? বাকি মহিলাদের সাথে আমার বৌমা নগ্ন হয়ে বসে আছে এতদূর অব্দি ঠিক ছিলো, কিন্তু ছেলেটা আমার বৌমার গোপনাঙ্গে হাত দিচ্ছে কেন?
          রক্তিমবাবু বলতে লাগলো – আসলে এই অনুষ্ঠানের একটা অংশের মধ্যে এটা পড়ে যে অনুষ্ঠানের প্রতিষ্ঠিত রানীমার সঙ্গে মুরমু সর্দারের বংশধরের কেউ যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হবে তার গর্ভে বীর্য স্থাপন সম্পন্ন হওয়ার পরেই অনুষ্ঠান শুরু হবে।
            ঠাকুমা – কিন্তু এ তো আমরা জানতাম না!! ও তো আমার বাড়ির বৌমা পর পুরুষের সঙ্গে এরকম করতে দেয়া তো সম্ভব নয়।
           কাকিমা – হ্যা, আমাদের তো আগে বলনি?
           রক্তিম বাবু – কিন্তু…. কিন্তু আমি তো ভেবেছিলাম আপনাদের অসম্মতি থাকবে না, এখন তো মাঝপথে কিছু করার নেই, এখন না করলে পুরোহিত সহ গোষ্ঠী প্রধান ভীষণ রাগ করবেন আর যদি আমি মাঝপথে এদের আটকায় তাহলে তাহলে আমার উপর ভীষণ ক্রোধিত হবে, আর যেটার প্রভাব এসে পড়বে আমার পরের বারের ভোটের উপর।
          ঠাকুরদা এবার বলে উঠলো – হ্যাঁ গো, এটা কে শুধুমাত্র একটা অনুষ্ঠানের কর্মসূচি হিসেবে এই ধরো না, আমাদের বৌমা অপবিত্র হবে না।
         ঠাকুমা – হ্যা, কিন্তু এরা বন্য মানুষ বৌমা কি এদের নিতে পারবে, কিভাবে চুদবে কে জানে, আমার বৌমার কোন ক্ষতি না করে দেয়।
              রক্তিমবাবু – না না আপনার সেই ভয় নেই, তবে হ্যা এটুকু বলতে পারি আদিবাসী পুরুষরা বেশ শক্তিশালী আপনার বৌমা চোদন খেয়ে খুশিই হবেন।
          আদিবাসীদের এক যুবক আমার সুন্দরী মাকে চুদবে এটা ভেবে বাড়াটা দাঁড়িয়ে গেল। 
         হালকা ভয় করছে মায়ের চোখ মুখ দেখেই বোঝা গেল, কিন্তু একটা বন্যচোদন খাবে ভেবে উত্তেজনা বেশ এক্সাইটেডও হয়ে যাচ্ছিল।
           এরপর যুবকটা মায়ের সামনে ঝুকে তাকে চুদতে সম্মতি দেওয়ায় ধন্যবাদ জানায়। এটা আদিবাসীদের কাছে অনেক সম্মানের, কারণ এর আগে তারা তাদের গোষ্ঠী বহির্ভূত কাউকে এই জায়গায় স্থান দেয় নি। 
          মার কাছেও এই সম্মান অত্যাধিক গর্বের বিষয়, তাছাড়া এর আগে মা এত বড় বাড়ার কাউকে চুদেনি, তাই মনে মনে ভাবে আজ তাকে সাধ্যমতো সুখ দিবে। 
           এরপর এক আদিবাসী মহিলা এসে মাকে বেশ সুন্দর ঘ্রানের বন্য পারফিউম মাখিয়ে দিলো গলার হাতের গ্রানগ্রন্থিতে শেকড়-বাকর আর বিভিন্ন ফুলের নির্যাসে তৈরি পারফিউম। আর স্তনবৃন্ত দুটোতে মধু, কিন্তু বোঁটা দুটো থেকে দুধ নির্গত হওয়ায় মধু দুধ মিশ্রিত হয়ে টপটপ করে পড়তে লাগলো, এবার যুবকটা মাটির গ্লাসে একটা পানীয় পান করল।
             এরপর আদিবাসী যুবকটা মায়ের সামনে জেকে বসে মায়ের পা দুটো দুই সাইডে ফাঁক করে নিজের কোমরটা মায়ের গুদের কাছে ঠেসে ধরলো, তারপর মাকে চুমু খেয়ে মাকে উচিয়ে ধরে। 
         আদিবাসীদের সবাই আননদে ফেটে উঠে , আদিবাসী যুবকটা এবার মায়ের সুন্দর ফোলা স্তনদুটো কিছুক্ষন ধরে টিপে চারিদিকে দুধ ছেটায়, স্তনমর্দন করে এরপর একটা স্তন চিপে ধরে বোঁটাটা বড় মুখ গহবরে ঢুকিয়ে দুই ঠোঁটে শক্ত করে চেপে চোষন নিয়ে একবার মুখ সরিয়ে টেনে নিল দুরে, বোঁটাটা রাবারের গাডারের মত লম্বা হয়ে প্রসারিত হয়ে মুখ থেকে বেরিয়ে সস্থানে চলে এলো, টান সহ মুখ থেকে বোঁটাটা বেরিয়ে যাওয়ায় ফিনকি দিয়ে দুধ বেরোনোর গতি আরো বেড়ে গেল, এরপর যুবকটা ঢোক গিলে মায়ের মুখের মধ্যে মুখ ডুবিয়ে ঠোঁটটা চুষতে লাগলো, টানা 5 মিনিট ধরে মায়ের ঠোঁট আর জীভ চুষলো পরম আনন্দে। 
         কিছুক্ষণ পর সেই মাথা নামালো মায়ের নিচে, মুখ লাগিয়ে গুদ চোষা আরম্ভ করল, এই প্রথম বাইরের কোন মহিলার গুদ পেয়ে বেশ আয়েশ করে মায়ের গুদের রস চেটে খাচ্ছে। যুবকটির কালো হাত মায়ের ফর্সা দেহতে বিচরন করছে, এরপর সে নিজের বাঁড়াটা হাতে ধরে মায়ের গুদের ফুটোর মুখে গুঁজে চোদা শুরু করল।
            মা মুখ থেকে – আওঅঅঅঅঅঅঅঅঅঅ, আহহহহহ, উম্মম্মম্ম, উফফফফফফফ,আহহহ আহহ আহহহ আহহহ শিৎকারে গোটা এলাকা ভরে উঠল। মা শরীরের বন্য উদ্দীপনা পেয়ে বেশ আরাম করে চোদন খেতে লাগলো।
             যুবকটি এইবার একটি স্তনের দুধে ভেজা বোঁটা দুটো কে আঙ্গুল দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পেচাতে লাগলো, মা উত্তেজনা চরম শিখরে পৌঁছে গেল কিছুক্ষণের মধ্যেই জল ছাড়লো, আদিবাসী যুবকটা জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলো মায়ের গুদে, প্রায় 30 মিনিট চোদার পর যুবকটি গুদে গরম মাল ফেলে আহহহহহহহ বলে উঠলো, দেখি মা শুয়ে হাপাচ্ছে কিন্তু মুখে তৃপ্তির এক হাসি। 
যুবকটা উঠে গেল মায়ের গুদ বেয়ে মাল পড়ছে।      
         ঠাকুরদা চেঁচিয়ে বলল – বড়ো বৌমা!!!কেমন লাগল এদের চোদন খেতে?
          মা – খুব মজা পেয়েছি গো। বাবা, এরকম সুখ আগে কোথাও পাইনি।
        এরপর পুরোহিত মশাই মাকে উঠিয়ে বসালেন, একটা সুন্দর সাজানো সিংহাসন মূর্তির পাশে স্থাপন করা হলো আর সেখানেই মাকে বসার অনুরোধ করা হলো, মা কথা মত দাঁড়িয়ে     
       সিংহাসনের দেখে বসতে যাওয়ার জন্য অগ্রসর হলো, লক্ষ্য করলাম ওই আদিবাসী যুবকটির বীর্য মায়ের গুদ বেয়ে বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে থায়ের গা বেয়ে নিচের দিকে।
          মা সিংহাসনে বসে একটা পায়ের উপর অন্যটা তুলে নিজের যৌনাঙ্গ ঢাকার চেষ্টা করল, কিন্তু পুরোহিত মশাই নির্দেশ দিলেন পা দুটো ফাঁক করে রাখতে, এরপর পুরোহিত মশাই একটা পাথরের লিঙ্গ এনে বীর্যে ভরা মায়ের গুদের মধ্যে ঠেলে ঢুকিয়ে দিল।
             মা আইউইউ করে চেচিয়ে উঠলো।
এরপর পুরোহিত মশাই তাদের আদিবাসীদের উদ্দেশ্যে ওদের ভাষায় কি একটা বলে উঠলো
আমি জিজ্ঞাসা করলাম – কি বলছেন ওটা রক্তিম জেঠু?
          রক্তিম বাবু উত্তর দিলেন পুরোহিত মশাই জানালেন যে পুজো সম্পন্ন হয়েছে, মা এখন গোষ্ঠীর রাণীমা তথা মুরমু সর্দারের স্ত্রী।
         পুরোহিত মশাই এবার নৌকার আকারের পিতলের একটা পাত্র এনে মায়ের স্তনের বোঁটার সামনে ধরে, আঙুল দিয়ে চিপে কিছুটা স্তন্যদুগ্ধ বের করে নিল, তারপর হাতের মধ্যমা আঙুলটা সেই পাত্রের মধ্যে ভরা স্তন্যদুগ্ধতে ঠেকিয়ে আঙ্গুল দিয়ে চারপাশে ছিটিয়ে দিল, তারপর হাতজোড় করে মাকে প্রণাম করল, সবাই উলুধ্বনি দিয়ে উঠলো বুঝতে পারলাম পুজোর সম্পূর্ণ রূপে সমাপ্তি ঘটেছে।
          এরপর পুরোহিত মশাই হাঁটু গেড়ে বসে সিংহাসনে বসে থাকা মায়ের একটা স্তন হাতে ধরে মুখটা সামনে আগে সেটার বোঁটাটা মুখে পুরে চুষতে লাগলো, বেশ কিছুক্ষণ এভাবে স্তন্যপান করার পর পুরোহিত মশাই বোঁটাটা ছাড়লো।
           এরপর পুনরায় এলো সেই আদিবাসী যুবক, তার বলিষ্ঠ হাতে মায়ের একটা স্তন চাগিয়ে সেটার বোঁটা মুখে নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ চুষলো, মা ব্যথায় আহহহহ………আহহহহহহহ শুরু করলো, যুবকটি স্তন ছাড়লে তারপরে এলেন কানহু সরং আর তার স্ত্রী, তারা দুজনে মিলে মায়ের দুই স্তনে এক এক করে মুখে লাগিয়ে শুষে নিতে লাগলো মায়ের স্তন্যদুগ্ধ।
        বুঝতে পারলাম এটা চলছে পূজোর পর প্রসাদ বিতরণীর পর্ব।
      আদিবাসী গোষ্ঠীর সবচেয়ে ক্ষমতাবান ব্যক্তিরা আগে প্রসাদ পাওয়ার সুযোগ পাবে, তারপর আসবে সকলের পালা, সেই কারণেই গোষ্ঠী প্রধান পুরোহিত মশাই আর কানহু সরং এর বংশধর প্রসাদ গ্রহণের প্রথম সুযোগ পেলেন।
         এরপর আদিবাসী গোষ্ঠীর বুড়ো-জোয়ান-পুরুষ-স্ত্রী-ছেলেপুলে সকলে এক এক করে এসে শুষে নিংড়ে গ্রহণ করতে লাগলো আমার দুগ্ধবতী মায়ের স্তন্যসুধা।
          মা চোখ বন্ধ করে গোটা গোষ্ঠীর স্তন্যপান করানোর সুখ নিতে লাগল, পাথরের লিঙ্গ ভরা গুদের মধ্যে মা পুনরায় জল ছাড়লো।
         আদিবাসীদের সকলের প্রসাদ গ্রহণ সম্পূর্ণ হলো, এরপর পালা এলো গোষ্ঠী বহির্ভূত বাকি সকলদের, মানে যারা দু-দূরান্ত থেকে এসেছে এই অনুষ্ঠান দেখতে, তারাও তো বাদ যাবে না গ্রামের রানীমার প্রসাদ থেকে, তাদেরও পালা এল সকলে এক এক করে সামনে এসে নির্দ্বিধায় আমার সুন্দরী মায়ের স্তন দুটো দলাই মালাই করে মুখ লাগিয়ে ইচ্ছামতো স্তন্যপান করতে লাগলো, কেউ কেউ আবার বাড়িতে সেই প্রসাদ নিয়ে যাবে বলে বোতলে কিছুটা দুয়েও নিয়ে গেলো।
        রক্তিমবাবুও এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে, মায়ের বোঁটা বেশ কিছুক্ষন টেনে নিল, সেই সঙ্গে তার বাড়ির লোক গাড়ির ড্রাইভার কেউই বাদ রইলো না।
           সকলের মুখে একটা আনন্দের ছাপ, কারণ এই প্রথম কোন মহিলা মেলার সকলকে প্রসাদ গ্রহণের সুযোগ দিয়েছে কেউই বিরত থাকেনি।
         প্রায় 200 মতো মানুষকে স্তন্যদান করার পর মায়ের বুকের দিকে তাকালে বোঝা যাচ্ছিল যে স্তন দুটোর উপর কি অত্যাচার চলেছে। বোঁটা দুটো সকলের চোষা আর কামড়ে ফুলে উঠেছিল।
গোষ্ঠী প্রধান কানহু সরং খুব খুশি হয়ে রক্তিম বাবু সামনে এসে বাংলাতেই বললেন – প্রধানবাবু ধন্যবাদ আপনাকে এমন একজন রাণীমাতা      
         আমাদের উপহার দেয়ার জন্য, এর আগে কোন রানীমাতাই এমন দুগ্ধদানের ক্ষমতা রাখেনি। আমাদের এই আদিবাসী সমাজ আপনার এই উপহার সারা জীবন মনে রাখবো।
          রক্তিমবাবুর চোখে মুখে বেশ খুশির ভাব ফুটে উঠলো।
          এরপর চলল ভুঁড়িভোজ পর্ব, মা চেয়ারে বসে রইল, তিনটে চারটে সারি দিয়ে মানুষের লাইন পড়লো, সকলে বসে পড়ল আসন ঘিরে তাদের সামনে শালপাতার থালা রেখে খাবার পরিবেশন আরম্ভ হলো, পোলাও খাসির মাংস আর দই মিষ্টি, দেখে বোঝাই গেল আয়োজন বেশ ভালই করেছে এরা।
             সকালের খাওয়া দাওয়ার শেষ হতে প্রায় সন্ধ্যে নেমে গেল, সকলেই চারিপাশে বসে থাকা মেলায় ঘুরেফিরে কেনাকাটি করতে লাগলো তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।
        রাত দশটা নাগাদ মা রেহাই পেল সেই সিংহাসন থেকে ওঠার, রক্তিমবাবুর বাড়িতে আসতেই সারাদিনের ধকলে ক্লান্ত হয়ে বিছানায় ঘুমিয়ে পড়ল।
         ঠাকুরদা এমনিতেই গরম হয়েছিল সারাদিনের দৃশ্য দেখে অনেক অনুরোধ করলো মাকে চুদতে দেওয়ার জন্য কিন্তু মা কোন মতেই রাজি হলো না।
         শেষে ঠাকুরদা কাকিমার কাছে আঁশ মেটালো, টানা তিনবার কাকিমার গুদে মাল ঢেলে ঘুমিয়ে পড়ল।
         পরদিন সকালবেলা ঘুম ভেঙে গেল আমাদের সকলেরই, যথারীতি চাকর জলখাবার নিয়ে হাজির, সকালবেলা জল খাবার খাওয়ার পর রক্তিমবাবুর কাছে আমরা বাড়ি যাওয়ার অনুমতি চাইলাম, কিন্তু তিনি কিছুতেই মানার পাত্র নন, আমাদের অনুরোধ নকচ করে দিয়ে বললেন সেই দিনটা থেকে যেতে।
        তো আমরা বাধ্য হয়ে থেকে গেলাম, দুপুর বেলা রক্তিমবাবুর বাড়িতে ভালো করে মধ্যাহ্নভোজন সারলাম সকলে মিলে।
         সন্ধ্যেবেলা রক্তিমবাবু আমাদের সকলকে নিজে থেকেই মেলার দিকে নিয়ে গেল, মার পরনে একটা সুন্দর কমলা রঙের ব্লাউজ আর তার সাথে ম্যাচ করা বেগুনি পারের শাড়ি পরল, কাকিমা পড়লো একটা লাল পেরের শাড়ি, দেখলাম মেলায় আগের দিনের মতোই ভিড়, এক জায়গায় জড়ো হয়ে মানুষজন ঘিরে আছে।
        বুঝতে পারলাম না ওখানে ঠিকই চলছে তো রক্তিম বাবু নিজে থেকেই বললেন আজকের দিনে মেলায় নানান প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। 
      রক্তিমবাবু বলে উঠলেন – বীনাবৌদি আপনি এগুলোতে অংশগ্রহণ করতে পারেন আমার বিশ্বাস প্রত্যেকটা প্রতিযোগিতাতেই আপনি বিজয়ী হবেন।
        লক্ষ্য করলাম কোন কোন জায়গায় বন্দুক দিয়ে বেলুন ফাটানো, কোথাও আবার তীর ছুড়ে নিশানাল লাগানো এইসবের দোকান কিন্তু সেখানে সেরকম ভিড় নেই।
        তো অতি উৎসাহে আমরা ভির ঠেলে ভেতরে ঢুকতেই নজরে এলো এক বিকট খেলা, দেখলাম একটা ঘেরা জায়গার মধ্যে কানা উঁচু 9 খানা পাত্র সাজানো তিন তিন করে আর সেটার মোটামুটি এক মিটার দূরে একটা লাল ঘেরা স্থান, একটা মহিলা সেই লাল ঘেরা স্থানে দাঁড়িয়ে হাত দিয়ে তার স্তন টিপে দুধের ধারা বার করছে, সেই দুধের ধরা ছিটে ছিটে কোন কোন সময় বাটিতে পড়ছে।
আমাদের মাথাতে কিছুই ঢুকলো না।
রক্তিমবাবু এবার বলে উঠলেন – বীণাবৌদি এখানে আসলে বেশিরভাগ প্রতিযোগিতাই মায়ের বুকের দুধ নিয়ে, এই খেলাটার নিয়ম হচ্ছে এক থেকে নয় অবধি নয় খানা বাটি আছে প্রত্যেকটা বাটির একটা আলাদা নাম্বার আছে লুকনো তো বুকের দুধ ছিটিয়ে যে বাটিটাই ভর্তি করতে পারবেন সেই বাড়িটার নাম্বার অনুযায়ী পুরস্কার পাবেন, সবচেয়ে কঠিন ব্যাপার হলো এই লাল ঘেরা জায়গাটার মধ্যেই দাঁড়াতে হবে, সামনে যেতে পারবেন না এখান থেকেই দুধের ধারা ছিটিয়ে বাটিটা ভর্তি করতে হবে। একজন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করছে দেখুন, কিন্তু কিছুক্ষণ পর ব্যর্থ চেষ্টার পর ওই মহিলা হাল ছেড়ে দিল কোন বাটিই ভর্তি হলো না।
           আমি অতি উৎসাহে মাকে বললাম – মা তুমি এই খেলাটা খেলো তো!! 6 নম্বরে বাটিটা টার্গেট করো।
         মা প্রথমে রাজি হলো না, কিন্তু আমিও নাছোড়বান্দা সেই ঘ্যানর ঘ্যানর করতেই লাগলাম     
            শেষে রক্তিমবাবু মাকে বলল – এত করে বলছে যখন বৌদি তখন খেলে দেখুনই না ।
         রক্তিমবাবু অনুরোধ করায় মা রাজি হল।
           ঘেরা লাল জায়গাটায় গিয়ে দাঁড়ালো তারপর কাঁধ থেকে শাড়ির আঁচল টা ফেলে দিয়ে কমলা ব্লাউজটার হুক এক এক করে খুলতে লাগলো, স্তন দুটো বেরিয়ে এলো, এরপর হাত দিয়ে মোটা গোলাকার দুধে ভরা স্তনদুটোকে হাতে ধরে বোঁটার কাছে আঙুল সেট করে আমাকে জিজ্ঞেস করল – কত নম্বর বাটিতে ফেলবো তাহলে বাবু?
          আমি চেঁচিয়ে বললাম – ছয় নম্বর বাটিতে মা ছয় নম্বর বাটিতে।
       মা এবার দুধ টেপা শুরু করলো, দুই বোঁটা দিয়ে পিচকিরির মত দুধ বেরিয়ে নির্ভুল নিশানায় ছয় নম্বর বাটির মধ্যেই পড়তে লাগলো, সবাই হাঁ করে দেখতে লাগলো কি করে সম্ভব, দুটো স্তনবৃন্ত থেকে নিখুঁত নিশানয় দুগ্ধধারা সেই চিহ্নিত ছয় নম্বর বাটিটাতেই পড়ছে।
         কিছুক্ষণের মধ্যে সেই বাটিটা টাইটম্বুর হয়ে ভরে গেল।
      সেই দোকানদার বাটিটা তুলে নিচে লেখা কাগজে দেখতে পেল মা একটা টিফিন কৌটো জিতেছে।
       প্রতিযোগিতার পরিচালক টিফিন কৌটোটা মায়ের হাতে ধরিয়ে দিলো, এরপর মা ব্লাউজের হুকগুলো লাগিয়ে শাড়িটা কাঁধে জড়িয়ে টিফিন কৌটোটা আমার হাতে ধরিয়ে বললো – এই নে।
         তো আমরা মেলা ঘুরতে লাগলাম কিছুটা দূর গিয়ে দেখলাম অন্য একটা প্রতিযোগিতা হচ্ছে, তো সেটার মধ্যে মুখ বাড়িয়ে লক্ষ্য করলাম একটা বোর্ডের উপর কিছু মহিলার নাম লেখা এক-দুই-তিন এই করে।
          তো এই প্রতিযোগিতাটার নিয়ম জানার জন্য রক্তিম বাবুর কাছে জিজ্ঞাসা করলাম।
           রক্তিমবাবু বললেন – এটাতে তেমন কিছুই নয়, আসলে বোর্ডে যাদের নাম লেখা আছে তারা প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় স্থান অধিকারী, এই খেলাটা হচ্ছে নির্দিষ্ট একটা সময়ের মধ্যে ওই বালতিটার মধ্যে দুধ ভর্তি করতে হবে।
            আমি তো অতি উৎসাহে – ও এটা কোন ব্যাপার হলো, এতে তো মা একেবারে পারদর্শী।
        এই বলে মাকে হাত ধরে সামনে টেনে নিয়ে এলাম, তারপর কাধ থেকে শাড়ির আঁচলটা আমি নিজেই নিচে নামিয়ে বললাম – মা ব্লাউজটা খোলো দেখি, তোমাকে প্রথম হতেই হবে, প্রথম পুরস্কার 5 হাজার টাকা।
       অনিচ্ছা সত্ত্বেও মা বাধ্য হয়ে পটপট করে হুকগুলো খুলে দিল, এরপর আমি বালতিটা এনে মায়ের স্তনের বেঁচে রেখে বোঁটা টিপতে যাব এমন সময় রক্তিম বাবু বলে উঠলেন – কিছু যদি মনে না করেন, বিনা বৌদি আমাকে এটাই অংশগ্রহণ করার সুযোগ দিন।
          মা বলল – ওমা নিশ্চয়, আমার কোন অসুবিধা নেই যে কেউ আসতে পারে, আসুন আসুন।
        মায়ের এই কথায় রক্তিম বাবু অতি উৎসাহিত হয়ে লাফিয়ে পড়ল মায়ের স্তন দুটোতে, বালতিটা নিচে ধরে স্তন দুটোর উপর হাত রাখল।
            প্রতিযোগিতার চালক একটা স্টপ ক্লক অন করে দিল, রক্তিমবাবু মনের সুখে মায়ের স্তন দুটো জোরে জোরে চিপে দুধ দুইতে লাগলো, নিয়ম ছিল দশ মিনিটের মধ্যে বালতিটা ভর্তি করতে হবে, কিন্তু রক্তিমবাবুর সজোরে টেপার ফলে দশ মিনিট কি তিন মিনিটেই বালতি ভরে একাকার, এর আগে যে প্রথম স্থান অধিকার করেছিল তার সময় ছিল 8 মিনিট 20 সেকেন্ড, আর সেখানে মায়ের সময় লাগলো তিন মিনিট, কাজেই এই সময় ভাঙার সাধ্য কারোর নেই দেখে প্রতিযোগিতা চালক মাকে জয়ী ঘোষণা করলো এবং মার হাতে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে দিল, গোটা ভিড় হাততালি দিয়ে উঠলো।      
              মায়ের নরমস্তনে হাত রাখায় রক্তিমবাবু গরম হয়ে উঠেছিল, থাকতে না পেরে মায়ের একটা স্তনের বোঁটা মুখে পুরে সজোরে একবার টেনে মুখ ভর্তি করে দুধ নিয়ে নিলো।
          মা একটু হেসে ব্লাউজের হুকগুলো লাগিয়ে শাড়িটা ঠিক করে নিল।
          এরপর ঘন্টাখানেক মেলায় ঘুরে, নানা জিনিসপত্র টুকিটাকি কিনে আমরা রক্তিমবাবুর বাড়িতে পৌছালাম রাত্রেবেলা, রাতের খাওয়া দাওয়া শেষ হয়ে গেলে দাদুর আঁশ মিটিয়ে মা, তারপর সবাই ঘুমিয়ে পড়লো।
            মাঝরাতে আমার খুব জোরে পেচ্ছাব পেল, উঠে দেখি আমার পাশে মা নেই, কোথায় গেল মাঝরাতে, তো আমি পেচ্ছাপ করার জন্য বাথরুমের দিকে এগিয়ে গেলাম, একটা ঘর থেকে মৃদু গোঙানোর আওয়াজ আসছে, তো জলদি করে পেচ্ছাব সেরে, ওই শব্দের উৎস খোঁজার উদ্দেশ্যে এদিক ওদিক করতে লাগলাম।
          শেষমেষে সেই শব্দের উৎস খুঁজে পেলাম, ভাড়ার ঘর থেকে শব্দটা আসছিল, এগিয়ে টুকি মেরে গিয়ে দেখি রক্তিম বাবু মাকে উদাম করে চুদে চলেছে, মাও আহহহ আহহহহ শব্দ করে দুই পা ফাক করে চোদোন খেতে খেতে একটা স্তন উঠিয়ে ধরে রক্তিম বাবুর মুখে ঠেসে ধরেছে, রক্তিমবাবুও বাস্তবজ্ঞান হারিয়ে উন্মতের মতো আমার মায়ের স্তন্যপান করতে করতে উদোম তালে চুদে চলেছে।
        আমি ডিস্টার্ব না করে নিজের রুমে চলে এলাম এবং চোখ বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়লাম।
           পরদিন সকালে উঠে আমরা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম, আসার আগে গ্রামের মানুষজন আমাদের অনেক কিছু উপহার দিল, ফল মিষ্টি, সারি।
          তবে রক্তিম বাবু মায়ের জন্য একটা বিশেষ উপহার দিল একটা সোনার কানের দুল।
           রক্তিমবাবু বললেন – বীনাবৌদি গ্রামের এত বড় উপকার করার জন্য এটা সামান্য একটা, মা মুচকি হেসে দুলটা নিয়ে নিল, আসল কারণ টা যদিও আমরা তিনজন ছাড়া আর কারো সামনে এলো না
         আমরা বাড়ির পথে এগোতে লাগলাম।

অনুরূপ গল্প