গল্পের মূল চরিত্র:
বিল্টু – আমি, শান্ত হারামি ছেলে।
রমা – আমার দিদি।
অনুপমা – আমার মা, বয়েস ৩৫, বাংলার বধু বুকে তার মধু, সংস্কারী গৃহবধূ, পীনস্তনী ও গুরুনিতম্বিনী।
উৎপল – আমার বাবা, বয়েস ৪৫, শয্যাশায়ী, প্যারালিসিস-এ আক্রান্ত কর্মক্ষেত্রে একটি একসিডেন্ট-এর পর !
অবনীকাকু – আমাদের বাড়িওলা, বয়েস ৪৫, বিপত্নীক, হারামির হাতবাক্স, মাগি দেখলেই জীব লকলক করে – ১২ থেকে ৫২।
ইকবাল-চাচা – আমাদের মতোই ভাড়াটে অবনীকাকুর বাড়িতে ! বয়স ৫০+ ! স্ত্রী বর্তমান, নিঃসন্তান দম্পতি ! অবনীকাকুর একপ্রকারের চ্যালা !
মাসের শুরু ! অবনীকাকু হিসেবের খাতা নিয়ে বসেছেন ! কিন্তু তাতে যেন মন নেই ওনার – দুই ভাড়াটের টাকার হিসেব প্লাস মাসের খরচ সব লিখছেন ! আমাকেও অংক দিয়েছেন করতে – উনি আমাকে আর দিদিকে পড়ান ! আমি উল্টো দিকের খাটে বসে অংক কষছি ! আমি খেয়াল করছি অবনীকাকুর বিশেষ মন বসছিল না খাতা-কলম-এ । কি ব্যাপার ! এরকম তো হয় না কাকুর !
বাড়ির পোষা বেড়ালটা বার বার কার্নিশে বসা কাকটাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে। খোলা জানালা দিয়ে অবনীকাকু আকাশ দেখছিলেন আর আমি আড়চোখে লক্ষ্য করছিলাম ওনাকে ! অবনীকাকু বালিশের নিচ থেকে সিগারেট-এর প্যাকেটটা বের করে একটা ধরালেন । উনি মাসের শুরুতে গোল্ডফ্লেক খান আর মাসের শেষের দিকে পাতি ফ্লেক খান – আমি জানি । এবার উনি জানালার কাছে গিয়ে একটা সুখ টান মারলেন – বুক ভরে ধোঁয়া নিয়ে গোল করে ছাড়লেন ।
“আজ রমাকে দেখলাম না তো তোর সাথে?” অবনীকাকু জানতে চান !
“মা তো দিদিকে উসমান-চাচার মুদিখানায় কি সব জিনিস আনতে পাঠালো” আমি উত্তর করি অংক করতে করতে !
“ও তাহলে দেখলাম মনে হলো গেট দিয়ে বেরোলো – রমা কি আজ সকালে হলুদ ফ্রক পরে ছিল রে বিল্টু?”
“না তো কাকু ! দিদি তো তোমার কিনে দেওয়া ওই লাল হাফ-প্যান্ট আর টপ-এর সেট-টা পরেছে সকালে”
বাবার একসিডেন্ট-এর পর শুধু এক কালীন একটা টাকা ছাড়া বাবা কিছু পায়নি অফিস থেকে – প্রাইভেটি অফিস যেহেতু – তখন এই বাড়িওলা অবনীকাকু আর আমাদের পাশের ঘরে থাকে ভাড়াটে ইকবাল-চাচা আমাদের প্রতি করুনা ও ভালোবাসা বসত আমার আর দিদির পড়াশুনোর ও পোশাক-আশাকের খরচের দায়িত্ব নেন ! না হলে মাকে হয়তো বাইরে কাজে যেতে হতো সংসার চালাতে – সেটা অন্তত হয়নি এনাদের সাহায্যে !
“ও আচ্ছা – কিন্তু তোর মা বলছিলো হাফ-প্যান্ট-টা রমার ছোট হয়েছে !”
“সে তো জানি না – কি বলছিলো মা?” আমি ইচ্ছে করে ভ্যাবলার মতো জানতে চাইলাম বললাম !
“না বলছিলো – **এত ছোট প্যান্ট আনলেন – এই সাইজের প্যান্ট পরার কথা তো আমরা রমার বয়েসে ভাবতেই পারতাম না – আমাদের সময় এগুলোকে ‘ইজের’ বলতো – তার ওপর আমার মেয়েটার বাড়ন্ত গঠন – তাই নাকি খুব চোখে লাগছে**”
“কিন্তু দিদি তো আমাকে বললো এটাকে নাকি “হটপ্যান্ট” বলে – এটাই এখনকার ফ্যাশন – বাড়িতে বড়োলোকের মেয়েরা এখন এটাই পরে”
“সে তো আমিও জানি – সেই জন্যই তো রমার জন্য ওটা কিনলাম – কিন্তু তোর মাকে নিয়েই তো প্রব্লেম – আমাকে বলছিলো ম্যাক্সি বা ফ্রক বা স্কার্ট-টপ আনলেন না কেন বাড়িতে পরার জন্য”
“কিন্তু কাকু দিদি তো ম্যাক্সি একদম হেট্ করে”
“আরে সে সব তোর মাকে কে বোঝাবে? এখন সব বাড়িতে মেয়ে-বৌরা আধ-ল্যাংটো হয়ে থাকার ট্রেন্ড আর সেখানে ম্যাক্সি ম্যাক্সি করে মাথা খাচ্ছে তোর মা – আমি তো ভাবলাম তোর দিদিকে শালা পরতেই দেবে না আমার আনা হটপ্যান্টটা”
“মাকে কি করে রাজি করলে গো কাকু?” আমি রাম-ক্যাবলার মতো মুখ করে জানতে চাই !
“আরে তোর তো মা খালি বলেই যাচ্ছে – মেয়ের কতটা পা দেখা যাচ্ছে – থাইও পুরো খোলা – ও তো উঠতি বয়সের মেয়ে – দেখলে তো অনেকেরই মনে খারাপ চিন্তা আসতে পারে – উফফ বকেয়া যাচ্ছে”
“তুমি কি যুক্তি দিল?’
“আরে আমার কথা হলো সিম্পল – লোকের মনের চিন্তার কথা ভেবে কি আমি পোশাক পরবো? তুমি লোকে কি বলবেঃ সেই ভেবে জামাকাপড় পরো? আজ না হয় তোমার হাজব্যান্ড শয্যাশায়ী বাট তার আগে তো তুমি তার পছন্দে ড্রেস কিনতে – সে শাড়ি, সালোয়ার যায় হোক – নাকি? আর রমা তো বাচ্চা মেয়ে – কলেজে পড়ে – ও আজ এই সব পরবে না তো কবে পরবে? এইসব বলে ধমক দেওয়াতে তোর মা মানলো”
“তুমি ঠিক করেছো কাকু – মাকে একটু ধমক দেবে – বাবা তো বিছানায় – বলতে পারে না আর – তুমি একটু শাসন করবে – না হলে আমাদের ভাই-বোনের ওপর একেবারে হিটলারি রুল চালায়”
আমি চেপে গেলাম যে মা দিদিকে আড়ালে বলেছিলো “রমা এটা প্যান্ট না প্যান্টি রে? তোর কাকু কি করে কিনলো এটা তোর জন্য? আমার প্যান্টি’র ওপর রাখ দেখবি লাগভাগ একই সাইজ দুটোর”
“আচ্ছা আচ্ছা – একটু ধমক-ধমক দেব তোর মাকে – তবে তোর মা বৃথা চিন্তা করে মরছিল – লোকজন তোর দিদির পায়ের দিকে তাকালে তাকাবে – ওর তাতে বাল ছেঁড়া গেলো !”
আমাদের দুই প্রতিবেশীই মাঝে মাঝেই খিস্তি মারেন এবং অত্যন্ত নোংরা নোংরা কথা বলেন – মায়ের বা দিদির সামনে নয় – আমার সামনে !
“আরে প্যান্ট ছোট হলে কি হবে – কি সুন্দর একটা পকেট-ও আছে পেছনে – সেটি কি দেখেছিস বিল্টু?”
কাকু যেন দিদিকে কল্পনা করে হটপ্যান্ট পরে ওনার সামনে দাঁড়িয়ে ! আমিও মনে মনে একবার ভেবে নি – দিদি কাল রাতে ওই হটপ্যান্ট পরে উপুড় হয়ে শুয়ে ছিল বিছানায় – প্যান্ট-টা এতো টাইট ওর পাছার ওপর যে ওর প্যান্টি’র অবস্থান পুরোই দেখা যাচ্ছিলো ! আমি কিছু না বলে হালকা বাঁড়া কচলাতে থাকলাম আর লাস্ট-এ বাথরুমে গিয়ে মাল ফেলেছিলাম ! সে সব তো আর অবনীকাকুকে বলা যায় না – গুরুজন আফটার অল !
“তাই নাকি? আমি তো দেখিইনি সেটা – হিপ-পকেট আছে ? ওয়াও!”
“হমম… আছে তো ! আমার তো খুব মিষ্টি লাগছিলো রে রমাকে যখন প্যান্টটা পরে আমাকে দেখাতে এলো ওপরে এখানে ! আর যখন পিছন ঘুরে রমা ওর প্যান্টের হিপ-পকেটটা দেখালো – আহা ! কি সন্দর ফুলকো লাগছিলো রে রমার পেছনটা তোকে কি বলবো |”
“আমি কাকু ওতো খেয়াল করিনি – তুমিই বলো না গো কাকু আর একটু ভালো করে – কেমন লাগছিলো দিদিকে?” আমার হারামি মাইন্ড পুরোপুরি যেন জেগে ওঠে !
“আসলে এখন তো একটু বড় হয়েছে মেয়েটা – প্যান্ট-টা একদম সঠিকভাবে ওর ইয়েতে মানে .. আই মিন… মানে প্যান্ট-টা একদম পারফেক্ট ভাবে তোর দিদির পাছাতে ফিট করেছে রে ! আসলে কি জানিস? একটু ফোলা পাছা না হলে এই হটপ্যান্টগুলোতে মেয়েদের হট লাগে না – ওই জন্য বড় মেয়েরা বা বাড়ির বৌ-গুলো আজকাল হটপ্যান্ট পরে ! আর তোর দিদির পাছাটা ক্লাস নাইনে উঠে এখন বেশ ঘন আর ফোলাটে হয়ে উঠেছে”
“ও মানে তুমি বলছো দিদির পেছনের গোলদুটো?” আতা-ক্যালানের মতো মুখ করে জিজ্ঞেস করলাম আমি ! যেন কিছুই বুঝি না মেয়েদের যৌবন !
“কারেক্ট ধরেছিস বিল্টু ! কিন্তু তুই দেখিসনি? আরে ওই তো – পাশের বাড়ির রণজিতের বৌও তো পরে হটপ্যান্ট – কি মিষ্টি লাগে দেখতে বৌটাকে যখন ছাতে আসে – কোমর থেকে থাই পর্যন্ত লম্বায় বড়জোড় ইঞ্চি-৬ বা ৭ – প্যান্টটা | আসলে বৌটার এতো বড় গাঁড় যে আমার দেখে মাঝে মাঝে মনে হয় – ওটা আর প্যান্ট নেই – প্যান্টি হয়ে গেছে – হা হা হা ! মাগীর পুরো পোঁদটার মাংসল সৌন্দর্যই দেখতে পাওয়া যায়”
“কিন্তু কাকু – আমি তো নিচে থাকি – দেখিনি বৌদিকে হাফ প্যান্ট পরে ছাতে – তবে দিদিকে কেমন লাগলো তোমার সেটাইই তো বললে না ভালো করে?”
“আহঃ… কি দুর্দান্ত দেখতে লাগছিলো যে তোর দিদির কমবয়েসী নধর পেছনটা কাল সন্ধ্যেবেলা – একদম ইয়ং টাইট অ্যাস ! স্লাইট উঁচু হয়ে আছে টাইট প্যান্টের নিচে ! সুপার্ব ! তবে তোর দিদি আমার সামনে একটু লজ্জা পেয়ে গেলো রে আমি সরাসরি ওর পাছার দিকে তাকিয়ে আছে বুঝতে পেরে – হা হা হা !”
আমিও হাস্তে লাগলাম – “দিদিটা যে কি একটা ! এতে লজ্জা পাওয়ার কি আছে?”
“না না – এমনি লজ্জা পাইনি – সি ইজ এ বোল্ড গার্ল – ও লজ্জা পেয়ে গেল যখন আমি হঠাৎ হাত ঢুকিয়ে দিলাম ওর হটপ্যান্টের পেছনের পকেটের মধ্যে | আসলে পাতলা গেঞ্জি-কাপড়ের প্যান্টের ততোধিক পাতলা পকেট তো – বেচারি লজ্জা পেয়ে গেছে প্রায় স্কিন টাচ হয়ে যাওয়াতে ! কি বলবো বিল্টু – আমার আঙ্গুলগুলো যেন ডুবে গেল উষ্ণ স্পঞ্জ-ভর্তি একটা বাটিতে | উফফ!”
“ওহ! দারুন ব্যাপার তো? আমিও তাহলে পরে দিদির পকেটে হাত দেব”
“হ্যা দিবি তো নিশ্চই – তোরি তো দিদি – সবসময় চোখের সামনেই থাকে – কেন দিবি না ! কিন্তু কাল আমি তো হাত দিয়ে বোকা হয়ে গেছি”
“কেন? কেন কাকু?”
“আরে আমি তো আঙ্গুল বাড়িয়ে ভালো করে ওর পাছাটা টাচ করছি পকেটের মধ্যে কিন্তু মনে হলো যেন মেয়েটা প্যান্টিও পরেনি নিচে !”
“কিন্তু দিদি তো প্যান্টি পরে ছিল তখন” আমি তৎক্ষণাৎ বলে উঠি !
কাকু একটু ভুরু কুঁচকে তাকায় – “পড়াশুনোয় মন নেই – এদিকে দিদি প্যান্টি পরে আছে কি না সেদিকে ঠিক খেয়াল আছে ! তোর মাকে বলবো ?”
“আরে মা-ই তো বললো কাকু কাল দিদিকে যে ছোট বলে আর তোর খুব আরাম হচ্ছে বলে অসভ্যের মতো খালি ওটাই পরে থাকিস না, প্যান্টি পড়বি সবসময় নিচে”
“ইসস… তোর মা কি নিজের মেয়েকে অসভ্য মেয়ে ভাবে নাকি রে? আমি তো রমাকে এতো দিন দেখছি এ বাড়িতে কোনোদিন দেখিনি ফ্রক বা স্কার্ট-এর নিচে প্যান্টি না পরে এসেছে ! বরং তোর মা মাঝে মাঝে ছাতে কাপড় মেলতে আসে স্নানের পর তখন শাড়ির নিচে প্যান্টি থাকে না – যাক যে – সে সব তোর বেশি জানার প্রয়োজন নেই বাচ্চা ছেলে”
শালা হারামি কাকু সব খেয়াল করে ! আমি যেন লাস্ট কথাটা শুনিনি এমন ভাব করলাম !
“তারপর কি হলো কাকু?”
“আরে হাতটা আরো একটু ঠেলে ভিতরে ঢোকাতে যখন তোর দিদি জড়োসড়ো হয়ে গেলো লজ্জায় তখন ওর প্যান্টিটা ফিল করলাম – একদম ওর পোঁদের ওপরের দিকে উঠে গেছিলো আর তাই আমার পাছাটা ল্যাংটো মনে হচ্ছিলো”
আমি লক্ষ্য করলাম অবনীকাকু পাজামা ঠেলে আপনা থেকেই ঠাটিয়ে খাড়া হয়ে উঠেছে ওনার পৌরুষত্ব !
“তবে তোর দিদি বেচারি খুব লজ্জা পেয়ে গেছে ওরকম করাতে – মানে যাকে বলে একদম ‘মর মর’ অবস্থা | লজ্জায়, ভয়ে গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে ওর | কি বলা উচিত, কি করতে হবে কিছুই বুঝতে পারছে না তখন তোর দিদি”
“দিদি কি চুপ্চাপ দাঁড়িয়েই রইলো?”
“আরে কি করবে? দেখি অস্বস্তিতে ডেসপারেট হয়ে পা’দুটোকে আরেকটু ফাঁক করে দাঁড়ালো তবে এতে আমার সুবিধেই হলো – আমি এবার ভালো করে হাত ঢুকিয়ে দিলাম তোর দিদির সদ্যযুবতী ফুলকো পাছায় কামড়ে বসা টাইট হটপ্যান্টের পকেটে | নতুন রস আসা নিটোল কচি পাছাটা উষ্ণ আমন্ত্রণ জানালো রে বিল্টু – আহঃ !”
“বাবা এমনিতে তো আমি দিদির গিয়ে হাত দিলেই ও একেবারে ছিটকে যায় আর ভয় দেখায় মাকে বলে দেব আর তোমাকে কি না এতটা এলাউ করলো? আশ্চর্য্য তো”
“তুই তো ছিঁচকেমি করিস তোর দিদির সাথে – চাপড় মারিস, চিমটি কাটিস, ঠেলা মারিস, ড্রেস ধরে চুল ধরে টানিস – আমি কত মসৃনভাবে ওকে অনুভব করছিলাম – তাই ও কোঅপারেট করছিলো”
“তাই হবে – তারপর বলো কাকু, তারপর?” –
“আমি আস্তে আস্তে হাতটা আরও ভেতরে ঢোকাতে লাগলাম ওর পকেট-এর – মানে একেবারে ওর পাছার খাঁজে চলে গেলাম আর তোর দিদি তো একেবারে কারেন্ট খাবার মতো লাফিয়ে উঠলো ওর পাছার চেরাটা আমার হাতে ঠেকতেই !”
“কি বলছো? লাফিয়ে উঠলো? উফফ! দিদিটা বাচ্চা মেয়েই রয়ে গেলো এখনো”
“হা হা হা – কে কাকে বলছে ! যাই হোক আমি দেখলাম তোর দিদি খুব আনইজি ফিল করছে ওর প্রাইভেট পার্ট-এ হাত দেওয়াতে কারণ ও ততক্ষনে শরীর ঝাঁকিয়ে নিজের নরম মাংসল পাছাটা আরও আমার হাতের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে | কি বলবো – আমার মনে হলো মেয়েটা পুরো যুবতী হওয়ার আগেই যেন কাম-কুটকুটে মাগী হয়ে উঠেছে ! ”
“কিন্তু কাকু – একটু পরেই তো মা ওপরে গেলো কি একটা নিতে – তুমি দিদির পকেটে হাত দিয়েছো মা দেখতে পায়নি?”
“না না – আমি তো সিঁড়িতে আওয়াজ পেলাম আর আমার থেকে তোর দিদি বেশি সাবধানী – ছিটকে সরে গেলো – হা হা হা”
“তাই বলো”
“বড় সুন্দর কাটলো কালকের সন্ধ্যে…” অবনীকাকুর চোখ গেল আমাদের ঘরের খোলা জানালার দিকে। দুই ভাড়াটের ঘরের ভেতরটা মোটামুটি ওপর থেকে বাড়িওলা বেশ পরিষ্কার দেখতে পায় । দিদি এই সবে স্নান সেরে গায়ে গামছা জড়িয়ে ঘরে ঢুকেছে। অবনীকাকু যেন একটু সচকিত – দিদিকে ওই অবস্তায় দেখতে পাবেন উনি একেবারেই ভাবতেই পারেননি – তার চেয়েও বড় কথা দিদি যে জানলার পর্দা টানবে না স্নানের পর ঘরে এসে সেটাও আশ্চর্য্যের !
দিদির তন্বি সদ্যযুবতী নগ্ন শরীরের সাথে লেপটে রয়েছে ভিজে লাল গামছা। সবে বাথরুম থেকে বেরিয়েছে ! এবার গামছা ছেড়ে আন্ডারগার্মেন্টস পরবে আর ঘরের ড্রেস !
“নে নে- খালি বক বক ছেলেটার – বাচ্চা ছেলের অতো কৌতহল কিসের সবেতে? অংক শেষ কর! আর একটা কথা তোর মুখ দিয়ে বেরোলে স্কেলটা তোর পিঠে ভাঙবো” অবনীকাকু যাতে আমি ওনার “পিপিং টম” কার্যকলাপে ডিস্টার্ব না করি তার ব্যবস্থা করলেন !
উনি সিগারেট-এ সুখটান দিতে দিতে দিদির নিটোল পাছা, সরু কোমর, আর মসৃন ফর্সা পিঠের ওপরে চোখ ঘোরাতে থাকেন ! দিদির গায়ের মসৃণ ত্বকের ওপরে মাছি বসলে যেন পিছলে যাবে। ঘাড়ের ওপর থেকে ভিজে চুল সরিয়ে সামনের দিকে করে মাথা মুছছে দিদি ! জানালার দিকে পিঠ তাই অবনীকাকু বোধহয় ঠিক করে দিদির মুখ আর নিটোল স্তনদুটি দেখতে পাচ্ছেনা ! কিন্তু তাতে দুঃখ্য কোথায় ? দিদির সুগোল উঁচু পাছার খাঁজ দেখে অবনীকাকুর পাজামার ভেতরের বাবাজি একদম খাড়া হয়ে গেছে । আমি যে ঘরে আছি – আমাকে যে অংক করতে দিয়েছেন – উনি বোধহয় ভুলেই গেছেন !
আমি দেখি অজান্তেই ওনার হাত চলে গেল টানটান হয়ে থাকা পাজামার সামনের দিকে আর আস্তে আস্তে কচলাতে থাকলেন জায়গাটা ! দিদির গামছা-ঢাকা পাছা দেখে অবনীকাকু যে বেশ পুলকিত আমার বুঝতে বাকি থাকলো না ! আর এই দুপুরবেলা কেউ যে ওপরতলা থেকে ঘরের মধ্যে ঝাড়ি মারবে সেটা দিদি একদম কল্পনাও করতে পারেনি। দিদি একটু পর মাথা মুছে হাতের তালুতে একটা ক্রিম নিয়ে নিজের পায়ে লাগাতে থাকে ! আমি জানি ও “ভিট” ইউজ করে পা আর থাইয়ের লোম ব্লিচ করে ! মা জানতে পারলে ওকে তুলোধোনা করবে ! দিদির পুরুষ্টু থাই পুরো এক্সপোজড – তাই দেখে অবনীকাকু একেবারে মোহিত ! দিদি ঘরে সাধারণত যেসব ড্রেস পরে তাতে ফুল থাই খোলা থাকে না – পার্সিয়াল এক্সপোজ থাকে হয়তো কখনো !
অবনীকাকু দেখি ঠোঁট চাটছে – ওনার কি গলা শুকিয়ে গেলো? দিনের আলো যেন পিছল খাচ্ছে দিদির ফর্সা থাইয়ের ওপর দিয়ে। অবনীকাকু যেন এখন সিগারেট খাওয়া ভুলেই গেছেন ! শুধু দিদির শরীর গোগ্রাসে গিলছেন ! দিদির পায়ে ক্রোম মাখা কমপ্লিট হলে দিদি এবার জানালার দিকে ঘুরল। অবনীকাকু দেখলাম স্লাইট সরে এলেন জানলার থেকে যাতে দিদি ওনাকে দেখতে না পায় ! অবনীকাকুর মুখ থেকে হটাত করে অস্ফুট “উফফফ কি জিনিস” কথাটা বেরিয়ে গেল ! দিদির গোল গোল নিটোল দুই স্তনের ওপরে শুধু ভিজে গামছা লেপটানো, স্তনের বোঁটাদুটো ফুলে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে রয়েছে যেন মধ্যবয়সী কাকুর দিকে ! আর দিদির দুটো স্তন যেন মাংসপিন্ড নয় – দুটি ছোট পর্বতশৃঙ্গ, যেমন কোমল তেমন নিটোল। পাজামার ওপর দিয়ে নিজের ধোনকে চেপে ধরেন অবনীকাকু !
নিস্পলক দৃষ্টিতে গিলছে কাকু আমার সদ্য যৌবনা সেক্সি দিদিকে ! ভিজে গামছার মধ্যে দিয়ে দিদির বুকের সবকিছু প্রায় ভেসে উঠেছে | ওর উঠতি বয়সের বাড়তে থাকা মাই – দুটো স্তনের মাঝের খাঁজ – স্নানের ঠাণ্ডা জলের ছোঁয়ায় শক্ত হয়ে ওঠা দুটো নিপল ! একবার মুখটা জানলা থেকে ঘোরানোর কি চেষ্টা করলেন কাকু? হয়তো মনে হয়েছে – মেয়ের বয়সী আমার দিদির শরীরকে কামুক চোখে দেখি কি উচিত ? কিন্তু পারলেন না বোধহয় – কোন দিকে তাকাবেন না?
নজর কোথায় ঘোরাবেন কাকু বুক ছেড়ে ?
ঠোঁটে?
দিদির ভিজে গোলাপি ঠোঁটে যেন আটকে যায় ওনার চোখ – দিদির ঠোঁটের উপরটায় এখনো লেগে রয়েছে স্নানের জলের কয়েকটা ফোঁটা ! দিদির ঠোঁট একটু ফাঁক হয়ে থাকে সব সময় আর ওকে এতে আরো হট লাগে !
নাকি অবনীকাকু নজর ঘোরাবেন ওর গ্রীবার দিকে?
ফর্সা মসৃণ ঘাড়ের কয়েকটা লোম ভিজে লেপ্টে রয়েছে শরীরের সঙ্গে | ওদিকে তাকালেই বুঝি অবনীকাকুর ঠোঁট ঘষতে ইচ্ছে করছে ওর কাঁধে ! দিদির মাখনতাল নরম শরীরের সবটুকু রস নিংড়ে ছিবড়ে করে খেয়ে নিতে ইচ্ছে করছে যেন অবনীকাকুর এমনভাবে উনি পাজামার ওপর দিয়ে নিজের ধোন কচলাতে থাকেন !
হঠাৎ করে একি হলো কাকুর ? অবাধ্যের মত আনচান করছেন কেন উনি? ওপরের ঘরের জানলা দিয়ে নিচে ভাড়াটের মেয়ের ডবকা শরীরের দিকে তাকিয়ে তালপাতার মতো যেন কাঁপতে লাগলেন উনি | একবার চেষ্টা করলেন নজর সরিয়ে নিতে, নিজের মনের রাক্ষসটাকে শান্ত করতে | কিন্তু সাথে সাথেই যেন নজর চলে গেল দিদির নাভির গোল গর্তটার দিকে | ভিজে গামছা গায়ে চেপে গিয়ে ওর মেদহীন পেটের গড়নটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে |
“ইসস… এই বয়সেই নাভিটা কি বড় হয়ে গেছে | আমার গোটা জিভটাই তো ঢুকে যাবে” ফিস ফিস করে বললেন উনি – ভুলেই গেছেন যে ঘরে আমি আছি ! দিদির লোমহীন কচি চওড়া দুটো থাই প্রায় পুরোটাই নেকেড | তার নিচে দিদির ফর্সা সুগঠিত হাঁটু | দিদির পায়ের গড়নটা একদম নিটোল, হাঁসের গায়ের মত তেল চকচকে | পলক ফেলতেও বাধা বোধ করছেন যেন অবনীকাকু – যদি কিছু দৃশ্য মিস হয়ে যায় – সেই আশংকায় ।
দিদির দুপায়ের ফাঁকে, ঠিক গুদের ওপরে ভিজে গামছা লেপটে একাকার। প্রচন্ড সেক্সি লাগছে ওকে ! এবার দুহাত মাথার ওপরে তুলে দিদি চুল মাথার ওপরে চুড় করে বাঁধল। মাথার ওপরে হাত ওঠানোর ফলে, দিদির সুগোল স্তন দুটি যেন আরও ফুলে ফেপে উঠল সামনে । বগলে একফোঁটা লোম নেই দিদির । অবনীকাকু কি ভাবছেন ? দিদির ওই বগলে একবার মুখ দিতে পারলে জীবন ধন্য হয়ে যাবে?
বেড়ালটা এখন কাকের সাথে পাল্লা দিচ্ছে। আর সেই আওয়াজে দিদি তাকালো বাইরে আর নিজের অর্ধ-নগ্ন অবস্থার কথা ভেবে দ্রুত জানলার পর্দাটা দিয়ে দিলো ! অবনীকাকুর কি একটু ডাউট হলো? দিদি কে দেখেছে ওনাকে? দিদির স্নানের পর ওর অর্ধ-নগ্ন শরীর যে কাকু লুকিয়ে দেখছিলেন জানলা দিয়ে তা কি দিদি বুঝে গেল?